বিনোদন

‘আমার কোনও আশঙ্কা নেই’

সম্প্রতি কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকায় একটি সাক্ষাতকার দিয়ে আলোচনায় এসেছেন আরিফিন শুভ, যা দর্শকদের অনুরোধে হুবুহু তুলে ধরা হলো।

বিনোদন ডেস্ক: বাংলাদেশের তারকা তিনি। তবে অভিনেতা আরিফিন শুভ নিজেকে তারকা বলে মানেন না। অবশ্য কলকাতাতেও যে তিনি জমি দখল করতে প্রস্তুত, সেটা বোঝা যাচ্ছে। সামনেই মুক্তি পাচ্ছে রঞ্জন ঘোষের ‘আহা রে’। যেখানে তিনি ঋতুপর্ণা সেনগুপ্তর বিপরীতে।

তবে আরিফিনের কাছে এই ইন্ডাস্ট্রি নতুন। তাঁকে লোকে সে ভাবে চেনেও না। আশঙ্কা অনুভব করেন না? ‘‘আশঙ্কা ইনসিকিয়োরিটি থেকে আসে। সে ভাবে দেখতে গেলে আমার কোনও আশঙ্কা নেই। কারণ আমি হিট-ফ্লপে বিশ্বাস করি না। জানি, ওগুলো ব্যবসার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু মনে করি, একটা কাজ কোনও শিল্পীকে ডিফাইন করে না,’’ ব্যাখ্যা  অভিনেতার।

‘আহা রে’তে তিনি শেফের ভূমিকায়। নিজে রান্না করতে পারেন? হাসিমুখে উত্তর এল, ‘‘বছর দশেক আগে ভাল পারতাম। তখন এক বন্ধুর সঙ্গে থাকতাম। নিজেদেরই রান্না করতে হতো। চিকেনটা ভালই রাঁধতে পারতাম। আচারি চিকেন, আমাদের ওখানে বেশ জনপ্রিয়। স্যান্ডউইচ, কফি— এগুলোও পারতাম। এখনও পারি!’’ ঢাকায় ‘একটি সিনেমার গল্প’ নামে এক ছবিতে ঋতুপর্ণার সঙ্গে কাজ করেছিলেন আরিফিন। ফলে দু’জনের একটা কমফর্ট লেভেলও তৈরি হয়েই ছিল। ‘‘তবে কমফর্টের চেয়েও বড়, আই লার্নট আ লট বোথ ফ্রম ঋতুদি অ্যান্ড রঞ্জন,’’ মন্তব্য আরিফিনের।

ইন্ডাস্ট্রিতে আবীর, ঋত্বিক, যিশুরা আছেন। তিনি ইন্ডাস্ট্রিকে নতুন কী দিতে পারবেন? স্পষ্ট উত্তর অভিনেতার, ‘‘এঁরা প্রত্যেকে যে ধরনের কাজ করেন, তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে আমি নতুন কিছু দিতে পারব বলে মনে হয় না। এঁরা প্রত্যেকেই এত ট্যালেন্টেড যে, আমি ধারেকাছেও আসি না।’’ হাসতে হাসতে যোগ করলেন, ‘‘জানি না, এটা বলে আমি নিজের বিপদ ডেকে আনলাম কি না!’’

অরিন্দম শীলের ‘বালিঘর’-এও তিনি আছেন। কিন্তু ছবির ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত। ওটা কি আর হবে? আরিফিনের উত্তর, ‘‘আমি যত দূর জানি, যৌথ প্রযোজনায় আর হবে না। করলে অরিন্দমদা নিজেই করবেন। আমাকে টেক্সট করে জানিয়েছিলেন সেটা।’’

আরিফিন বিয়ে করেছেন কলকাতার মেয়েকেই। চার বছর হল তাঁদের দাম্পত্যের। ‘‘বিবাহবার্ষিকীর পর দিন আমার ট্রেনিং ছিল। অর্পিতারও সকালে অফিস ছিল। তাই তাড়াতাড়ি ঘুমিয়ে পড়েছিলাম। ওর মা-বাবা ফোন করে আমাদের ঘুম ভাঙালেন! ওঁরা অবাক হয়েছিলেন যে, আমরা সেলিব্রেট না করে ঘুমিয়ে পড়েছি…’’ হাসতে হাসতে বললেন আরিফিন।

তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা

Tags

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Close